ভোর ৫টা ৪০। হাসপাতালের গেটের সামনে রিকশার হুড নামানো, মেহজাবীনের গলায় তখনো আইডি কার্ডের ফিতাটা ঝুলছে। নাইট শিফটের শেষে সবাই যখন গেটের পাশে দাঁড়িয়ে একটা গ্রুপ ছবি তোলে, উনি প্রতিবারই কারো পেছনে সরে যান। কেউ ডাকলে বলেন, চোখে ঘুম, ছবি ভালো আসবে না।
আসল কারণটা কাউকে বলা হয়নি। বারো ঘণ্টা AC-র নিচে কাটানোর পর গালের চামড়া এমনভাবে টেনে ধরে যে হাসতে গেলেও অস্বস্তি লাগে, আর ওড়নার আঁচলটা বারবার মুখের ডান পাশটা ঢেকে রাখে। বাসায় ফিরে চাবি ঘোরানোর আগে উনি একবার দুই হাতের তালু দিয়ে গাল ঘষে নেন। অভ্যাস।
ভোরের আলোয় ঘরটা তখনো আধো-অন্ধকার, পর্দার ফাঁক দিয়ে একটা সরু আলো বালিশের ওপর এসে পড়ে। ফ্যান ঘুরছে। এই সময়টাতেই skin সবচেয়ে বেশি ক্লান্ত — dullness, dryness, আর সারা রাতের tight ভাব একসঙ্গে।
এই রুটিনটার শেষ ধাপে মেহজাবীন এখন রাখেন Dabo 30 Days Hyaluronic Acid 8 Soothing Cream-100ml। শিফট থেকে ফিরে মুখ ধোয়ার পর, ঘুমানোর ঠিক আগে। জারটা বিছানার পাশের টেবিলে, মশারির খুঁটির গা ঘেঁষে রাখা থাকে।
ঢাকনা খুললে ভেতরের ক্রিমটা মসৃণ, আঙুলের ডগায় ঠান্ডা লাগে প্রথম ছোঁয়ায়। মটরদানার সমান নিয়ে তালুতে ঘষলে গলে যায়, ভারী কোনো আস্তরণ থাকে না। কড়া কোনো গন্ধ নাক পর্যন্ত ঠেলে আসে না। গালে চেপে ধরার সময় হালকা একটা আঠালো ভাব থাকে, তারপর সেটা মিলিয়ে যায় আর hydration-এর নরম একটা ভাব থেকে যায় — বালিশে মুখ রাখলে চামড়া আর টান দেয় না।
গত সপ্তাহে শিফট শেষে সেই একই গেটের সামনে সবাই আবার ছবি তুলছিল। এবার মেহজাবীন পেছনে সরেননি। ওড়নাটা কাঁধে ফেলে দিয়ে ঠিক মাঝখানে দাঁড়িয়ে গেলেন।
আপনার ভোরবেলার রুটিনেও এই ধাপটা যোগ করে দেখুন।
"স্কিনের ড্রাইনেস আর টানটান ভাবটা প্রথম দিন ব্যবহারের পর থেকেই একদম গায়েব।
রাতে মেখে ঘুমালে সকালে উঠে স্কিন এত সফট আর গ্লোয়িং লাগে যে বারবার ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছা করে। ❤️
আমার স্কিন খুব ড্রাই হয়ে চামড়া উঠত, এই ক্রিমটা ইউজ করার পর থেকে স্কিন অনেক স্মুথ হয়ে গেছে।
স্মেলটা খুব মাইল্ড আর রিফ্রেশিং, একটুও কড়া না। আমার সেনসিটিভ স্কিনেও কোনো প্রবলেম হয়নি।
এয়ার কন্ডিশন্ড রুমে থাকলে স্কিন ড্রাই হয়ে যায়, কিন্তু এই ক্রিমটা সারাদিন স্কিন ময়েশ্চারাইজড রাখে।
প্রথমবার ডাবো ব্র্যান্ডের কিছু ট্রাই করে দেকলাম ! রি-অর্ডার করার মতো একটা প্রোডাক্ট।
আপনার মতামত অন্য ক্রেতাদের সাহায্য করবে