"হুড তুলে দেন মামা, বৃষ্টি ধরার নাম নাই!" — পাশ থেকে সহকর্মী চিৎকার করে বলল, আর রিকশাওয়ালা ভেজা হাতে হুডটা টেনে দিল মাথার ওপর। ভেতরে দুজন, সামনে ঝোলানো পলিথিনের পর্দা, আর নুসরাতের কোলে একটা ছোট শপিং ব্যাগ। ব্যাগের ভেতর একটা বাদামি কাগজে মোড়ানো বাক্স। সে ব্যাগটা বুকের কাছে চেপে ধরল, যেন পানি এক ফোঁটাও না ঢোকে।
মগবাজারের জ্যামে রিকশা থেমে রইল বাইশ মিনিট। টিনের হুডের ওপর বৃষ্টির শব্দ, চাকার পাশ দিয়ে গড়িয়ে যাওয়া কালো পানি, আর হাঁটুর ওপর সেই বাক্সটা — শুকনো। বাসায় ঢুকে ভেজা ওড়না চেয়ারে ছুড়ে দিয়ে সে বাক্সটা রাখল পড়ার টেবিলের কোণে, একটা কালো হেয়ার ক্লিপ আর আধা খাওয়া পানির গ্লাসের মাঝখানে।
সে রাতেই কাগজটা খোলা হলো। ছোট বোন এসে বোতলটা তুলে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে লেখা পড়ল, তারপর যেখান থেকে নিয়েছিল ঠিক সেখানেই রেখে দিল — celimax The Vita A Retinol Shot Tightening Serum (30ml)। কাচের বোতল, ওপরে ড্রপার। টেবিলের কোণটা সেদিন থেকে ওটার জায়গা হয়ে গেল।
ড্রপার টানার সময় একটা মিষ্টি চাপা শব্দ হয় — টুক। হাতের তালুতে দুই ফোঁটা পড়লে ঠান্ডা লাগে, বৃষ্টির দিনের জানালার কাচের মতো। serum টা পাতলা, পিছল না, গন্ধ প্রায় নেই — নাক একেবারে কাছে নিলে হালকা একটা পরিষ্কার ঘ্রাণ। আঙুলের ডগায় গালের ওপর উঠিয়ে দিলে টান লাগে না, মিলিয়ে যায় চুপচাপ। খালি বোতলটা হাতে যতটা হালকা, ভরা বোতলটা ততটাই ভারী — জিনিসটা শেষ হচ্ছে কি না, ওজনেই বোঝা যায়।
এখন বোতলের গায়ের লেবেলের এক কোণা ভেজা আঙুলে ঘষা খেয়ে নরম হয়ে গেছে, আর ভেতরে তরল নেমে এসেছে অর্ধেকের নিচে। ড্রপার ভরতে নুসরাত এখন বোতলটা একটু কাত করে ধরে। জায়গাও বদলেছে — টেবিলের কোণ থেকে ওটা উঠে গেছে আয়নার তাকে, toner-এর বোতল আর একটা পুরোনো moisturizer-এর কৌটার পাশে।
গত শুক্রবার আবার বৃষ্টি নামল। খালার বাসায় দুই রাত থাকার ব্যাগে জামার ভাঁজের ভেতর ওই কাচের বোতলটা গেল, ড্রপারের মুখ শক্ত করে ঘুরিয়ে আটকানো। রিকশার হুড আবার তোলা, পলিথিনের পর্দা আবার নামানো। ব্যাগ কোলের ওপর।
আপনার তাকের কোণটাও ফাঁকা পড়ে আছে — celimax The Vita A Retinol Shot Tightening Serum (30ml) একবার রেখে দেখুন।
প্রথমবার রেটিনল ট্রাই করলাম, কোনো জ্বালাপোড়া বা ইরিটেশন হয় নাই! স্কিনটা সকালে বেশ ফ্রেশ আর স্মুথ লাগে।
Celimax-এর এই সিরামটা আসলেই কাজ করে! নাইট রুটিনে দুই সপ্তাহ ধরে ইউজ করছি, স্কিন টেক্সচার অনেক বেটার হইছে।
ধৈর্য ধরে ৩-৪ সপ্তাহ ইউজ করলে সত্যি চেঞ্জ চোখে পড়ে। মুখের চামড়া বেশ টানটান লাগে, সত্যি কাজের জিনিস।
নাইট কেয়ারে প্রতিদিন দিচ্ছি, কোনো সাইড ইফেক্ট ছাড়া এত সুন্দর রেজাল্ট পাব ভাবিনি। সেকেন্ড বোতল আবার অর্ডার করব.
রেটিনল সাধারণত স্কিন শুষ্ক করে ফেলে, কিন্তু এটার সাথে প্যানথেনল থাকায় স্কিন একদম সফট থাকে। ১ সপ্তাহেই স্কিনে চমৎকার টাইটনেস ফিল করছি.
আপনার মতামত অন্য ক্রেতাদের সাহায্য করবে