বিকেল ৫টা ৫০ — মহাখালীর জ্যামে বাসটা তিন মিনিট ধরে এক ইঞ্চিও নড়েনি, আর জানালার কাঁচ গলে বিকেলের রোদ এসে সোজা জেরিনের ডান গালে পড়ছে। সে সরে বসেনি। ওড়নাটা মুখের ওপর টানেনি। জানালার রডে হাত রেখে সে রোদের দিকেই তাকিয়ে আছে, আর তার skin-এ সেই চিনচিনে জ্বালাটা নেই।
গত মাসে ব্যাপারটা এমন ছিল না।
তখন এই একই ৬৪ নম্বর বাসে, একই জ্যামে, জেরিন জানালার পাশের সিট পেলে মনে মনে বিরক্ত হতো। হ্যান্ডব্যাগ থেকে টিস্যু বের করে কপাল মুছত, আর টিস্যুটা ভাঁজ খুললে তেলের দাগ। নামার সময় গাল দুটো গরম, কানের পাশটা লালচে। গালের হাড়ের ওপর যে পুরনো pigmentation-টা ছিল, প্রতিদিনের এই রোদে সেটা আরও গাঢ় হচ্ছিল বলে তার মনে হতো। sunscreen সে লাগাত না — লাগালেই মুখ ভারী, চটচটে, আর দুপুর গড়াতেই সাদা একটা আস্তরণ।
এরপর সে W.SKIN LABORATORY Triple Care Sun Cream (SPF50+ PA++++) হাতে নেয়। SPF50+ PA++++ — মানে ঢাকার এই বিকেলের রোদটার জন্য যতটা দরকার, ততটাই।
টিউব চাপলে যে শব্দটা হয়, খুব ছোট, প্রায় শোনাই যায় না। হাতের তালুতে পড়া ক্রিমটা ঠান্ডা, একটু পাতলা — জেলের মতো নয়, আবার ভারী লোশনের মতোও নয়। মুখে ছড়ানোর সময় আঙুল আটকায় না, পিছলে যায়। গন্ধ প্রায় নেই, নাক ঘেঁষে সামান্য একটা পরিষ্কার ভাব। ত্রিশ সেকেন্ডে মিলিয়ে যায়, আর তারপর মুখে হাত দিলে মনে হয় কিছুই মাখা নেই — শুধু texture-টা একটু মসৃণ।
বাস এখন ফ্লাইওভারের নিচে, হর্নের ওপর হর্ন। জেরিন ব্যাগ থেকে টিউবটা বের করে, হাতের উল্টো পিঠে একটু নিয়ে গালে আর নাকে বুলিয়ে নেয় — নামার আগে আরেকবার। পাশের সিটের মহিলা তাকিয়ে থাকেন। জেরিন টিউবটা ব্যাগে রেখে দেয়।
জানালার পাশের সিটটা আপনারও ভালো লাগতে পারে — একবার ব্যবহার করে দেখুন।
গরমের মধ্যে ঘাম হলেও মুখ একদম ভুতুরে সাদা হয়ে যায় না, এইটা সবচেয়ে ভালো লাগছে। সানস্কিনটা বেশ হালকা।
আমার সেনসিটিভ স্কিনে অনেক সানস্কিনই শুট করে না, ব্রন উঠে যায়। কিন্তু এটা ট্রাই করে দারুণ রেজাল্ট পেলাম.
সানস্কিনটা সত্যিই লাইটওয়েট, মুখে দিলে বোঝাই যায় না কিছু লাগানো আছে। ডেইলি ইউজ করার জন্য সেরা একটা জিনিস।
অয়েলি স্কিনের আপুরা চোখ বন্ধ করে নিতে পারো। মোটেও তেলতেলে লুক দেয় না, হালকা একটা ন্যাচারাল গ্লো রাখে।
সানবার্ন থেকে দারুণ বাঁচায়। প্রাইস অনুযায়ী এর চেয়ে ভালো সানস্কিন হয় না! Thank You অরিজিনাল প্রডাক্টের জন্য!
আপনার মতামত অন্য ক্রেতাদের সাহায্য করবে